এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে প্রায় ৪১ শতাংশ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ২ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ১৩ আগস্ট বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১১ জুন।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ২৪ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৬২ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৯৩ পয়সায়।
২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪২ কোটি ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৩ কোটি ৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ২০ লাখ ৪৩ হাজার ৫১৭। এর মধ্যে ৩৯ দশমিক ৫২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১২ দশমিক ১৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।